Thursday, October 16, 2014

হিজল / Barringtonia acutangula

হিজল
বৈজ্ঞানিক নাম- Barringtonia acutangula
পরিবার- Lecythidaceae


হিজল গাছ মাঝারি আকারের ডালপালা ছড়ানো দীর্ঘজীবী গাছ। এর সংস্কৃত নাম নিচুল। এ ছাড়া জলন্ত, নদীক্রান্ত নামেও  পরিচিত।  এই গাছের আদি নিবাস দক্ষিণ এশিয়া, মালয়েশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া। সাধারণত জলজ, কাদা-পানিতে এই গাছ জন্মে। বীজ থেকে গাছ হয়। উচ্চতা ১০ থেকে ১৫ মিটার। হালকা গোলাপি রঙের ১০-১২ সেমি লম্বা পুষ্পদণ্ডের মাঝে অসংখ্য ফুল ঝুলন্ত অবস্থায় ফোটে। গভীর রাতে ফুল ফোটে, সকালে ঝরে যায়। ফুলে একধরনের মিষ্টি মাদকতাময় গন্ধ আছে। হিজল গাছের প্রাণশক্তি প্রবল। বন্যার পানি কিংবা তীব্র খরাতেও টিকে থাকে। এমনকি পানির নিচে কয়েক মাস নিমজ্জিত থাকলেও হিজলগাছ বেঁচে থাকে। তাই হাওর অঞ্চলে এ গাছের ডাল মাছের অভয়রাণ্য তৈরিতে ব্যবহূত হয়।

তথ্যসূত্র- উইকিপিডিয়া
ছবি- কালেক্টেড

Adenium _ অ্যাডেনিয়াম / এডেনিয়াম / ডেজার্ট রোজ

  • অ্যাডেনিয়াম
    বৈজ্ঞানিক নাম: Adenium spp
    গোত্র : Apocynaceae

    • এটি ডেজার্ট রোজ নামেও খ্যাত। কালারফুল ফুলের অ্যাডেনিয়াম বিশেষভাবে প্রশংসিত। হাউসপ্ল্যান্ট হিসেবে এটি খুবই জনপ্রিয়। অ্যাডেনিয়ামের আরেকটি নাম হল ব্যাংকক কালাচুচি (Bangkok kalachuchi)


অ্যাডেনিয়াম গাছটির নিচের অংশটি (কডেক্স) স্ফীত। বছরের পর বছর এটি টবে বেচে থাকতে সক্ষম, এজন্য পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে একে বনসাই করা হয়। কলমে এর চাষ করা যায়। অ্যাডেনিয়ামের কিছু প্রজাতির রসে বিষাক্ত কার্ডিয়াক গ্লাইকোসাইড থাকে।





তথ্যসূত্র : Botany.Bd, উইকিপিডিয়া
ছবি: নেট।

Wednesday, October 15, 2014

ঈশ্বরমূল / মণিরাজ _ Aristolochia indica _ Indian birthwort, pipevine, Dutchman's pipe

 ঈশ্বরমূল
  Aristolochia indica
পরিবার- Aristolochiaceae
অন্যান্য নাম- মণিরাজ , Indian birthwort, pipevine, Dutchman's pipe প্রভৃতি।


(ঈশ্বরমূল লতা , ছবি নেট)


এটি ছোট আকারের লতানো গাছ, যেকোনো অবলম্বন পেলে খুব দ্রুত বেড়ে ওঠে । ফুলগুলো দেখলে মনে হয় ফনা তোলা সাপ। সব বাগানে এই গাছ নেই।  ঈশ্বরমূল ভেষজগুণসম্পন্ন। সাপ বা বিষাক্ত পোকা-মাকড়ের কামড়ে আক্রান্তস্থানে পাতা বেটে প্রলেপ দিলে উপকার পাওয়া যায়। 






                                        পরিপক্ক ফল
তথ্যসূত্র : Botany. bd




কুন্দ / মেঘমল্লিকা / কুন্দ ফুল / Jasminum pubescens _ J. multiflorum

কুন্দ /মেঘমল্লিকা
বৈজ্ঞানিক নাম- Jasminum pubescens (Syn. J. multiflorum)
অন্যান্য নাম- Indian jasmine, star jasmine, winter jasmine, MeghaMallika(Sanskrit)


কুন্দ Oleaceae পরিবারের উদ্ভিদ। এই Oleaceae পরিবারের প্রায় ২০০ টি ফুলের এক বিশাল গণ Jasminum । এই গণে আছে বেলী, জুই, চামেলীসহ নানান সুগন্ধি ফুল, তবে কুন্দ গন্ধহীন।

ভারত উপমহাদেশীয় প্রজাতি। লতানো ধরণের চিরসবুজ ঝোপ। পাতা ও কচি ডাল রোমশ। পাতা একক, ৩-৬ সেমি লম্বা, উপর মসৃণ, নিচ রোমশ। শীত, বসন্ত ও গ্রীষ্মে ফুল ফোটে। পাশের ছোট ছোট ডালে গুচ্ছ গুচ্ছ সাদা রঙের সিঙ্গেল বা ডাবল ৩ সেমি চওড়া ফুল, গন্ধহীন। দলের আগায় ৭-৯ টি পাপড়ি, চোখা বা ভোতা। আরেকটি ভ্যারাইটি আছে, যার পাপড়ির কিনার গোলাপী।

উইকিপিডিয়া থেকে---In Indian mythology, Kund is known for its whiteness. So, instead of the common western phrase 'white as snow', what often appears in Hindu
mythological stories is 'white as kunda'. Also, beautiful white teeth are often compared to Kunda buds. It is held to be especially sacred to Vishnu. In Manipur, Kundo flowers are used in worship, and are an essential part of a marriage ceremony. The bride garlands the groom with two Kundo flower garlands. The groom then takes one of the two and garlands the bride.
Jasminum multiflorum is native to India, Nepal, Bhutan, Laos, Burma, Thailand and Vietnam. It is widely cultivated in tropical and subtropical regions for its attractive and intensely fragrant flowers.

সন্ধ্যা , হন্ধা _ Cyperus articulatus _ Joint Flat-sedge _ Guinea Rush

বাংলা নাম:- সন্ধ্যা , হন্ধা
Botanical name - Cyperus articulatus L.
English name - Joint Flat-sedge , Guinea Rush

বরিশালের দিকে হলুদ, বিয়ে , মুসল্মানি , আকিকা অনুষ্ঠানে এর রাইজম এর পেস্ট বেবহার করা হয় । এর সুগন্ধে সারা বাড়ি ভরে যায় । গায়ে হলুদ আর মাথায় মাখা হয় এই সন্ধ্যার বাটা পেস্ট ।
এটা শুধু সুগন্ধি ছড়ায় না , চুলের উকুন দূর হয় । গ্রামে এখন প্রয়োজনে এই উদ্ভিদ খুজেই পাওয়া যায় না । দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে , এই ঔষধি উদ্ভিদ । ছবির গাছগুলো নদীর তীর থেকে এনে ছাদে লাগানো , ছিদ্র ছাড়া টবে , যেখানে সব সময় পানি জমে থাকে , এমন ভাবে বাঁচিয়ে রাখা গাছ , ফুল ও ফুটেছে ।

Mahbuba Sultana's photo.

তথ্যসূত্র এবং ছবি-
Botany.Bd / ড: মাহবুবা সুলতানা












Tuesday, October 14, 2014

অন্তমোড়া / অন্তমোড়া ফুল / অন্তমোরা ফুল _ Helicteres isora _ East Indian screw tree_ antamora



অন্তমোড়া ফুল

ইংরেজি নাম: East Indian screw tree/Nut-leaved screw tree
হিন্দি নাম: bhendu, damni, jonka phal, kapasi,

Scientific Name- Helicteres isora

Family: Sterculiaceae



অন্তমোড়া ফুলটি অনেকের কাছেই প্রায় অপরিচিত। শাখায় শাখায় লাল বর্ণের সমাহারে এ ফুল বেশ দৃষ্টিনন্দন। আগে এর বাংলা নাম জানতাম না । Botany.BD নামক ফেসবুক পেইজ থেকে এর বাংলা নাম জানলাম। গাছটির বর্ণনা নিম্নরূপ--
১) এটি একটি অর্ধ পর্ণমোচী উদ্ভিদ (sub-deciduous)।
২) স্বভাবে গাছটি গুল্ম বা ছোট আকৃতির বৃক্ষ (shrub or small tree)।
৩) গাছ লম্বায় ৮ -১০ ফুট পর্যন্ত হতে পারে।
৪) বাকল হয় ধৃসর রঙের (grey coloured bark)।
৫) পাতা সরল,  কিনারা খাঁজকাটা (serrate margin) এবং ছোট ছোট লোমযুক্ত।
৬) ফুল গুলি একক (solitary) বা হালকা গুচ্ছ (clusters)আকারে থাকতে পারে।
7) পাপড়ির রং হয লাল বা কমলা, ঝরে পড়ার সময় বা বয়স্ক ফুলের পাপড়ি কিছুটা নীলচে বর্ণ ধারণ করে (turning pale blue when old)।
৮) ফল সবুজাভ বাদামী বর্ণের, স্ক্রুর মতো প্যাচানো আকৃতির।


(এই ছবিটি তুলেছেন জনাব Syed Tarik, লোকেশন-DU Campus)
ভেষজ গুরুত্ব: মূল এবং বাকল উদারাময়, আমাশয়, পিত্তদোষে ব্যবহৃত হয়। কৃমিনাশক হিসাবেও এর ব্যবহার আছে। (The roots and stem barks are considered to be expectorant, demulcent, astringent and antiglactagogue. Bark is used in diarrhoea, dysentery, scbies, biliousness and is useful in gripping of the bowels. Root juice is used in antidiarrhoeal and antidysenteric formulations. Fried pods are given to children to kill intestinal worms) Ref. Internet
তথ্যসূত্র, নাম পরিচিতি:  Botany.BD
ছবি : Botany.BD Syed Tarik,

পানিলজক / পানি লজ্জাবতি / পানি লজ্জাবতী _ Neptunia oleracea

পানিলজক / পানি লজ্জাবতি / জল লজ্জাবতি/ পানি লজ্জাবতী
--------------------------
S.name: Neptunia oleracea
Common name: Water mimosa.

পরিবার- Fabaceae
অন্যান্য নাম- water mimosa, sensitive neptunia


টি বি's photo.

 এই গাছটির পাতা দেখতে লজ্জাবতি পাতার মত এবং কোন স্পর্শ পেলেই লজ্জাবতি পাতার মত গুঁটিয়ে যায়।  জল লজ্জাবতী আমাদের পরিচিত লজ্জাবতীর সাথে একই পরিবারভুক্ত হলেও গণ ভিন্নলজ্জাবতী Mimosa গণভুক্ত আর জল লজ্ঞাবতী Neptunia গণভুক্তগণের নাম Neptunia রাখা হয়েছে প্রাচীন রোমান বিশ্বাসমতে সাগরের দেবতা নেপচুন এর নামানুসারে(যেহেতু এই গণের প্রজাতিগুলো জলজ)জল লজ্জাবতী পানিবদ্ধ বা স্বল্প পানিতে জন্মায়, এতে কাটা হয় না। কাণ্ডে একপ্রকার সাদা রঙের ফোমের মত হয় যা মাছের খাদ্য। ফুল হলুদ কমলা। আগে অনেক পুকুরে দেখা যেত এখন খুব একটা চোখে পরে না।




তথ্যসূত্র : Botany.bd / t.b